Tuesday, December 31, 2019

ব্রেকিং নিউজ! !!! করেরহাটের লক্ষিছড়া ব্রিজ ভেঙে বালুর ট্রাক খাদে



করেরহাট  রামগড় সড়কের  লক্ষিছড়া বেইলি ব্রিজ ভেঙ্গে বালু বোঝাই ড্রাম ট্রাক খাদে, যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

Monday, December 16, 2019

কোরআন পড়তে গিয়ে কোথায় ওয়াকফ করবেন জেনে নিন


ওয়াকফ অর্থ কোনো শব্দের শেষের অক্ষর কে সাকিন করে থামা আর  দুই যবরযুক্ত শেষ অক্ষর  হলে এক যবর করে এক আলিফ লম্বা করে থামা।
তা অনেক প্রকার প্রসিদ্ধ কয়েকটি হচ্ছে এই-
(১) ওয়াকফে লাযেম: তা ওই স্থানে হয় যেখানে থামা আবশ্যক। না থামলে অনেক সময় অর্থ বিনষ্ট হওয়ার আশংকা হয়।
তার চিহ্ন হলো  م এর উপর থেমে পর থেকে শুরু করবে এবং পূনরাবৃত্তি করবে না।
(২) ওয়াকফে মুত্বলাক: এখানে থামা উচিৎ। তার চিহ্ন ط এর উপরও থেমে পর থেকে শুরু করবে এবং পূনরাবৃত্তি করবে না।
(৩) ওয়াকফে জায়িয: এখানে থামা না থামা উভয়টি জায়িয। তার চিহ্ন ج এর উপর থেমে গেলে পর থেকে শুরু করবে।
(৪) ওয়াকফে মুজাওয়ায: এখানে থামা তো জায়িয কিন্তু না থামা উত্তম। তার চিহ্ন ز এই চিহ্ন যদি আয়াতের মধ্যখানে হয়।
তবে এর উপর থামলে পূনরাবৃত্তি করা জরুরি। আর তা আয়াতের উপরে হলে এর উপর থামলে পূনরাবৃত্তি করবে না।
(৫) ওয়াকফে মুরাখখাস: তার চিহ্ন হলো ص আর এটা ওয়াকফে মুজাওয়াযের মতো।
প্রশ্ন: ز – ج – ط – م এবং ص ছাড়াও  মাজীদে আরো কয়েকটি চিহ্ন দেখা যায়। এগুলির মাঝে কি করতে হয়?

উত্তর: (১) قِ – قف এ দুটির মাঝে থামা উচিৎ।

(২) وقفة – سكته এগুলোতে শ্বাস না ছেড়ে একটু থেমে সামনের দিকে পড়া উচিৎ।
(৩) তিনটি তিনটি করে পাশাপাশি দুইটি চিহ্ন থাকে যেগুলিকে “মুআনাকা” বলা হয় এই দুটি থেকে কোনো একটির উপর থামা উচিৎ।
প্রথমটিতে থামা যায়, দ্বিতীয়টিতেও থামা যায়, তবে একসাথে উভয়টিতে থামা যাবে না।
(৪) لا, যেখানে لا লিখিত আছে সেখানে থামবে না, থেমে গেলে পূনরাবৃত্তি করতে হবে।
(৫) এসব চিহ্ন ছাড়া অন্যান্য চিহ্নগুলো যেখানে লাগানো হয়েছে صل – صلي ইত্যাদি।  সেগুলোতে ইচ্ছা করলে থামতে পারবে, নাও থামতে পারবে।
আর যেখানে উপরে নিচে দুটি চিহ্ন লিখিত থাকবে, সেখানে যেটি উপরে লিখিত সেটির উপর আমল করবে।
প্রশ্ন: কোরআন মাজীদে সাকতা কতটি? এগুলোতে কি করতে হয়?
উত্তর: কোরআন মাজীদে সাকতা চারটি:
(১) সূরা কাহফের শুরুতে -قيما সাকতা عوجاً
(২) সূরা ইয়াসিনে – هذا সাকতা من مر قدنا
(৩) সূরা ক্বিয়ামায় -راق সাকতা مَنْ
(৪) সূরা মুতাফফিফীনে-ران সাকতা كلا بَلْ
এই চার স্থানে শ্বাস ছাড়বে না; বরং একটু থেমে সামনের দিকে পড়তে থাকবে।
প্রশ্ন: ওয়াকফ কোথায় করতে হয়?
উত্তর: যে ব্যক্তি কোরআন শরীফের অর্থ জানে না সে যেন এমন সকল স্থানে ওয়াকফ করে যে সব স্থানে আলামত (চিহ্ন) লাগানো রয়েছে।
এ চিহ্ন সমূহ থেকে যার যে হুকুম রয়েছে, সে অনুযায়ী আমল করবে। প্রয়োজন ছাড়া এবং অস্থানে (স্থান ছাড়া) ওয়াকফ করবে না।
তবে আয়াতের মধ্যখানে শ্বাস শেষ হয়ে গেলে তা অপারগতা। অপারগতায় এমন হয়ে গেলে উচিৎ হলো,
যে শব্দে থেমেছে ওই শব্দ থেকে বা তার আগ থেকে পূনরাবৃত্তি করে পরের শব্দের সাথে মিলিয়ে পড়া উচিৎ।
এমন অপারগতার সময় খেয়াল রাখবে সে কোনো শব্দের মধ্যখানে যেন ওয়াকফ না হয়। বরং শব্দের শেষে যেন থামা হয়।

প্রশ্ন: হারাকাতযুক্ত হরফের উপর কিভাবে ওয়াক্বফ করা উচিত?

উত্তর: হারাকাতযুক্ত হরফে ওয়াকফ করার সময় তাকে সাকিন করতে হবে। কারণ হারাকাতের উপর ওয়াকফ করা ভুল।
যেমন- اياك نَعْبُدُ এর মাঝে যদি ওয়াকফ করার প্রয়োজন হয় তবে د কে সাকিন করতে হবে। د এর পেশ উচ্চারণ করে ওয়াকফ করবে না।
প্রশ্ন: শ্বাস না ছেড়ে শব্দের শেষে শুধু সাকিন করলেই কি ওয়াকফ হয়ে যায় এবং এরকম করা কি?
উত্তর: শ্বাস না ছেড়ে শব্দের শেষে শুধু সাকিন করলেই ওয়াকফ হয় না।
যেমন- اياك نستعينُ এর উপর ওয়াকফের সময় নুনকে সাকিন করে শ্বাস না ছেড়ে اهدنا الصراط المستقيم পড়া শুরু করে দিলে ওয়াকফ হয় না।
এরকম করা ভুল। এথেকে বেচে থাকা উচিৎ।
প্রশ্ন: যে শব্দের উপর ওয়াকফ করা হবে তার শেষে যদি যবরের তানভীন হয়। বা গোল তা (ة) হয়, তবে ?
উত্তর: যদি যবরের তানভীন হয় তবে ওয়াকফের অবস্থায় ওই তানভীনের জায়গায় আলিফে মাদ্দাহ পড়তে হয়।
যেমন- افوجاً এর উপর ওয়াকফ করলে افوجاَ পড়তে হবে। আর فان كن نساءً এর উপর ওয়াকফ করলে نساءَا পড়তে হবে।
যে শব্দের শেষে গোল তা হবে, ওয়াকফের সময় তাকে “হা” সাকিন পড়তে হবে। যেমন- اقيمو الصلوةَ কে ওয়াকফের সময় اقيمو الصلوةْ পড়তে হবে।
প্রশ্ন: কোরআন মাজীদের কোনো কোনো শব্দের শেষে যে আলিফ লিখিত রয়েছে। এ সকল আলিফকে কি পড়তে হয়?
উত্তর: কোরআনের শব্দ সমূহের শেষে লিখিত আলিফকে অধিকাংশ শব্দে পড়তে হয়।
কিন্তু কয়েকটি শব্দ এমন আছে যে, এগুলোর আলিফ মিলিয়ে পড়াবস্থায় পড়তে হয় না। শুধু ওয়াকফের অবস্থায় পড়তে হয়।
যেমন- الظنونا এবং انا এর মাঝে। আর কোনো কোনো শব্দ এমনও রয়েছে যে, এগুলোর আলিফ কোনো অবস্থায়ও পড়া হয় না।
যেমন- لَاْ الي الجحيم- لَاْ الي الله – لَاْ اذبحنه অধিকাংশ কোরআন মাজীদে এ জাতীয় আলিফের উপর গোল চিহ্ন দেয়া হয়েছে।
তিলাওয়াতের সময় সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরী।
(সূত্র: আসবাকে তাজবীদ- ২৬,২৭,২৮,২৯,৩০)

শান্তিরহাট আলিম মাদ্রাসায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

শান্তিরহাট ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালী  অনুষ্ঠিত হয়। প্রফেসর মাইনুল হোসেন-এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠান আরম্ভ হয়। উক্ত আলোচনা সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও: একরামুল হক সাহেব। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন মাদ্রাসার প্রফেসর মো: আব্দুল হান্নান। প্রফেসর আব্দুল হান্নান সাহেব
তার আলোচনায় মহান বিজয় দিবসের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে  সবার সামনে এক গুরুত্বপূর্ণ  আলোচনা পেশ করেন। অত:পর সবাইকে দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় এগিয়ে আসার আহবান জানান। সাথে সাথে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় সুনাগরিক হওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষায়  ভালো ফলাফল করার জন্য গুরুত্ব প্রদান করেন। উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি,বিশিষ্ট সমাজ সেবক,শিক্ষানুরাগি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বারৈয়ারহাট পৌরসভার সম্মানিত সভাপতি  মীর আলম মাসুক সাহেব।
সভাপতি সাহেব তার বক্তব্যে মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা পেশ করেন এবং  ছাত্র-ছাত্রীদের মহান বিজয় দিবসের শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য  আহবান জানান। আরও আলোচনা পেশ করেন মহাজনহাট ফজলুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য,বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী এবং মাদ্রাসার শুভাকাংখি সিরাজ মেম্বার সাহেবসহ আরও অনেকে। অত:পর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

Saturday, December 14, 2019

69. Surah Al-Haqqah


  العربية             বাংলা 

1. Surah Al-Fatiha
2. Surah Al-Baqara
3. Surah Aal-e-Imran
4. Surah An-Nisa
5. Surah Al-Maidah
6. Surah Al-Anam
7. Surah Al-Araf
8. Surah Al-Anfal
9. Surah At-Tawbah
10. Surah Yunus
11. Surah Hud
12. Surah Yusuf
13. Surah Ar-Rad
14. Surah Ibrahim
15. Surah Al-Hijr
16. Surah An-Nahl
17. Surah Al-Isra
18. Surah Al-Kahf
19. Surah Maryam
20. Surah Taha
22. Surah Al-Hajj
23. Surah Al-Muminun
24. Surah An-Nur
25. Surah Al-Furqan
26. Surah Ash-Shuara
27. Surah An-Naml
28. Surah Al-Qasas
29. Surah Al-Ankabut
30. Surah Ar-Rum
31. Surah Luqman
32. Surah As-Sajdah
33. Surah Al-Ahzab
34. Surah Saba
35. Surah Fatir
36. Surah Ya-Sin
37. Surah As-Saffat
38. Surah Sad
39. Surah Az-Zumar
40. Surah Ghafir
41. Surah Fussilat
42. Surah Ash-Shuraa
43. Surah Az-Zukhruf
44. Surah Ad-Dukhan
45. Surah Al-Jathiya
46. Surah Al-Ahqaf
47. Surah Muhammad
48. Surah Al-Fath
49. Surah Al-Hujurat
50. Surah Qaf
51. Surah Adh-Dhariyat
52. Surah At-Tur
53. Surah An-Najm
54. Surah Al-Qamar
55. Surah Ar-Rahman
56. Surah Al-Waqiah
57. Surah Al-Hadid
58. Surah Al-Mujadila
59. Surah Al-Hashr
60. Surah Al-Mumtahanah
61. Surah As-Saf
62. Surah Al-Jumuah
63. Surah Al-Munafiqun
64. Surah Al-Taghabun
65. Surah At-Talaq
66. Surah At-Tahrim
67. Surah Al-Mulk
68. Surah Al-Qalam
69. Surah Al-Haqqah
70. Surah Al-Maarij
71. Surah Nuh
72. Surah Al-Jinn
73. Surah Al-Muzzammil
74. Surah Al-Muddaththir
75. Surah Al-Qiyamah
76. Surah Al-Insan
77. Surah Al-Mursalat
78. Surah An-Naba
79. Surah An-Naziat
80. Surah Abasa
81. Surah At-Takwir
82. Surah Al-Infitar
83. Surah Al-Mutaffifin
84. Surah Al-Inshiqaq
85. Surah Al-Buruj
86. Surah At-Tariq
87. Surah Al-Ala
88. Surah Al-Ghashiyah
89. Surah Al-Fajr
90. Surah Al-Balad
91. Surah Ash-Shams
92. Surah Al-Layl
93. Surah Ad-Duhaa
94. Surah Ash-Sharh
95. Surah At-Tin
96. Surah Al-Alaq
97. Surah Al-Qadr
98. Surah Al-Bayyinah
99. Surah Az-Zalzalah
100. Surah Al-Adiyat
101. Surah Al-Qariah
102. Surah At-Takathur
103. Surah Al-Asr
104. Surah Al-Humazah
105. Surah Al-Fil
106. Surah Quraysh
107. Surah Al-Maun
108. Surah Al-Kawthar
109. Surah Al-Kafirun
110. Surah An-Nasr
111. Surah Al-Masad
112. Surah Al-Ikhlas
113. Surah Al-Falaq
114. Surah An-Nas

69. Surah Al-Haqqah

69:1  الْحَاقَّةُ
সুনিশ্চিত বিষয়।
69:2  مَا الْحَاقَّةُ
সুনিশ্চিত বিষয় কি?
69:3  وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْحَاقَّةُ
আপনি কি কিছু জানেন, সেই সুনিশ্চিত বিষয় কি?
69:4  كَذَّبَتْ ثَمُودُ وَعَادٌ بِالْقَارِعَةِ
আদ ও সামুদ গোত্র মহাপ্রলয়কে মিথ্যা বলেছিল।
69:5  فَأَمَّا ثَمُودُ فَأُهْلِكُوا بِالطَّاغِيَةِ
অতঃপর সমুদ গোত্রকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয় দ্বারা।
69:6  وَأَمَّا عَادٌ فَأُهْلِكُوا بِرِيحٍ صَرْصَرٍ عَاتِيَةٍ
এবং আদ গোত্রকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচন্ড ঝঞ্জাবায়ূ,
69:7  سَخَّرَهَا عَلَيْهِمْ سَبْعَ لَيَالٍ وَثَمَانِيَةَ أَيَّامٍ حُسُومًا فَتَرَى الْقَوْمَ فِيهَا صَرْعَىٰ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ خَاوِيَةٍ
যা তিনি প্রবাহিত করেছিলেন তাদের উপর সাত রাত্রি ও আট দিবস পর্যন্ত অবিরাম। আপনি তাদেরকে দেখতেন যে, তারা অসার খর্জুর কান্ডের ন্যায় ভূপাতিত হয়ে রয়েছে।
69:8  فَهَلْ تَرَىٰ لَهُم مِّن بَاقِيَةٍ
আপনি তাদের কোন অস্তিত্ব দেখতে পান কি?
69:9  وَجَاءَ فِرْعَوْنُ وَمَن قَبْلَهُ وَالْمُؤْتَفِكَاتُ بِالْخَاطِئَةِ
ফেরাউন, তাঁর পূর্ববর্তীরা এবং উল্টে যাওয়া বস্তিবাসীরা গুরুতর পাপ করেছিল।
69:10  فَعَصَوْا رَسُولَ رَبِّهِمْ فَأَخَذَهُمْ أَخْذَةً رَّابِيَةً
তারা তাদের পালনকর্তার রসূলকে অমান্য করেছিল। ফলে তিনি তাদেরকে কঠোরহস্তে পাকড়াও করলেন।
69:11  إِنَّا لَمَّا طَغَى الْمَاءُ حَمَلْنَاكُمْ فِي الْجَارِيَةِ
যখন জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল, তখন আমি তোমাদেরকে চলন্ত নৌযানে আরোহণ করিয়েছিলাম।
69:12  لِنَجْعَلَهَا لَكُمْ تَذْكِرَةً وَتَعِيَهَا أُذُنٌ وَاعِيَةٌ
যাতে এ ঘটনা তোমাদের জন্যে স্মৃতির বিষয় এবং কান এটাকে উপদেশ গ্রহণের উপযোগী রূপে গ্রহণ করে।
69:13  فَإِذَا نُفِخَ فِي الصُّورِ نَفْخَةٌ وَاحِدَةٌ
যখন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে-একটি মাত্র ফুৎকার
69:14  وَحُمِلَتِ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ فَدُكَّتَا دَكَّةً وَاحِدَةً
এবং পৃথিবী ও পর্বতমালা উত্তোলিত হবে ও চুর্ণ-বিচুর্ণ করে দেয়া হবে,
69:15  فَيَوْمَئِذٍ وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ
সেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে।
69:16  وَانشَقَّتِ السَّمَاءُ فَهِيَ يَوْمَئِذٍ وَاهِيَةٌ
সেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে ও বিক্ষিপ্ত হবে।
69:17  وَالْمَلَكُ عَلَىٰ أَرْجَائِهَا ۚ وَيَحْمِلُ عَرْشَ رَبِّكَ فَوْقَهُمْ يَوْمَئِذٍ ثَمَانِيَةٌ
এবং ফেরেশতাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকবে ও আট জন ফেরেশতা আপনার পালনকর্তার আরশকে তাদের উর্ধ্বে বহন করবে।
69:18  يَوْمَئِذٍ تُعْرَضُونَ لَا تَخْفَىٰ مِنكُمْ خَافِيَةٌ
সেদিন তোমাদেরকে উপস্থিত করা হবে। তোমাদের কোন কিছু গোপন থাকবে না।
69:19  فَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ فَيَقُولُ هَاؤُمُ اقْرَءُوا كِتَابِيَهْ
অতঃপর যার আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ নাও, তোমরাও আমলনামা পড়ে দেখ।
69:20  إِنِّي ظَنَنتُ أَنِّي مُلَاقٍ حِسَابِيَهْ
আমি জানতাম যে, আমাকে হিসাবের সম্মুখীন হতে হবে।
69:21  فَهُوَ فِي عِيشَةٍ رَّاضِيَةٍ
অতঃপর সে সুখী জীবন-যাপন করবে,
69:22  فِي جَنَّةٍ عَالِيَةٍ
সুউচ্চ জান্নাতে।
69:23  قُطُوفُهَا دَانِيَةٌ
তার ফলসমূহ অবনমিত থাকবে।
69:24  كُلُوا وَاشْرَبُوا هَنِيئًا بِمَا أَسْلَفْتُمْ فِي الْأَيَّامِ الْخَالِيَةِ
বিগত দিনে তোমরা যা প্রেরণ করেছিলে, তার প্রতিদানে তোমরা খাও এবং পান কর তৃপ্তি সহকারে।
69:25  وَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِشِمَالِهِ فَيَقُولُ يَا لَيْتَنِي لَمْ أُوتَ كِتَابِيَهْ
যার আমলনামা তার বাম হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ হায় আমায় যদি আমার আমল নামা না দেয়া হতো।
69:26  وَلَمْ أَدْرِ مَا حِسَابِيَهْ
আমি যদি না জানতাম আমার হিসাব!
69:27  يَا لَيْتَهَا كَانَتِ الْقَاضِيَةَ
হায়, আমার মৃত্যুই যদি শেষ হত।
69:28  مَا أَغْنَىٰ عَنِّي مَالِيَهْ ۜ
আমার ধন-সম্পদ আমার কোন উপকারে আসল না।
69:29  هَلَكَ عَنِّي سُلْطَانِيَهْ
আমার ক্ষমতাও বরবাদ হয়ে গেল।
69:30  خُذُوهُ فَغُلُّوهُ
ফেরেশতাদেরকে বলা হবেঃ ধর একে গলায় বেড়ি পড়িয়ে দাও,
69:31  ثُمَّ الْجَحِيمَ صَلُّوهُ
অতঃপর নিক্ষেপ কর জাহান্নামে।
69:32  ثُمَّ فِي سِلْسِلَةٍ ذَرْعُهَا سَبْعُونَ ذِرَاعًا فَاسْلُكُوهُ
অতঃপর তাকে শৃঙ্খলিত কর সত্তর গজ দীর্ঘ এক শিকলে।
69:33  إِنَّهُ كَانَ لَا يُؤْمِنُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ
নিশ্চয় সে মহান আল্লাহতে বিশ্বাসী ছিল না।
69:34  وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ الْمِسْكِينِ
এবং মিসকীনকে আহার্য দিতে উৎসাহিত করত না।
69:35  فَلَيْسَ لَهُ الْيَوْمَ هَاهُنَا حَمِيمٌ
অতএব, আজকের দিন এখানে তার কোন সুহূদ নাই।
69:36  وَلَا طَعَامٌ إِلَّا مِنْ غِسْلِينٍ
এবং কোন খাদ্য নাই, ক্ষত-নিঃসৃত পুঁজ ব্যতীত।
69:37  لَّا يَأْكُلُهُ إِلَّا الْخَاطِئُونَ
গোনাহগার ব্যতীত কেউ এটা খাবে না।
69:38  فَلَا أُقْسِمُ بِمَا تُبْصِرُونَ
তোমরা যা দেখ, আমি তার শপথ করছি।
69:39  وَمَا لَا تُبْصِرُونَ
এবং যা তোমরা দেখ না, তার-
69:40  إِنَّهُ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ
নিশ্চয়ই এই কোরআন একজন সম্মানিত রসূলের আনীত।
69:41  وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَاعِرٍ ۚ قَلِيلًا مَّا تُؤْمِنُونَ
এবং এটা কোন কবির কালাম নয়; তোমরা কমই বিশ্বাস কর।
69:42  وَلَا بِقَوْلِ كَاهِنٍ ۚ قَلِيلًا مَّا تَذَكَّرُونَ
এবং এটা কোন অতীন্দ্রিয়বাদীর কথা নয়; তোমরা কমই অনুধাবন কর।
69:43  تَنزِيلٌ مِّن رَّبِّ الْعَالَمِينَ
এটা বিশ্বপালনকর্তার কাছ থেকে অবতীর্ণ।
69:44  وَلَوْ تَقَوَّلَ عَلَيْنَا بَعْضَ الْأَقَاوِيلِ
সে যদি আমার নামে কোন কথা রচনা করত,
69:45  لَأَخَذْنَا مِنْهُ بِالْيَمِينِ
তবে আমি তার দক্ষিণ হস্ত ধরে ফেলতাম,
69:46  ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ الْوَتِينَ
অতঃপর কেটে দিতাম তার গ্রীবা।
69:47  فَمَا مِنكُم مِّنْ أَحَدٍ عَنْهُ حَاجِزِينَ
তোমাদের কেউ তাকে রক্ষা করতে পারতে না।
69:48  وَإِنَّهُ لَتَذْكِرَةٌ لِّلْمُتَّقِينَ
এটা খোদাভীরুদের জন্যে অবশ্যই একটি উপদেশ।
69:49  وَإِنَّا لَنَعْلَمُ أَنَّ مِنكُم مُّكَذِّبِينَ
আমি জানি যে, তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ মিথ্যারোপ করবে।
69:50  وَإِنَّهُ لَحَسْرَةٌ عَلَى الْكَافِرِينَ
নিশ্চয় এটা কাফেরদের জন্যে অনুতাপের কারণ।
69:51  وَإِنَّهُ لَحَقُّ الْيَقِينِ
নিশ্চয় এটা নিশ্চিত সত্য।
69:52  فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ
অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামের পবিত্রতা বর্ননা করুন।