Thursday, September 12, 2019

সব মুদ্রা মনে রাখার কৌশল


যে সকল দেশের মুদ্রার নাম "দিনার
টেকনিক: আজ তিসা ও লিবা কই ডিনার
করবে?
আ=আলজেরিয়া,
জ=জর্ডান,
তি=তিউনিশিয়া,
সা=সার্বিয়া,
লি=লিবিয়া,
বা=বাহরাইন,
ক=কুয়েত,
ই=ইরাক,
ডিনার=দিনার।
.
যে সকল দেশের মূদ্রার নাম “ডলার”
টেকনিকঃ গনি মাঝির জামাই HSC পাশ
করে BBA পড়তে অস্ট্রেলিয়া গেল
গ- গায়ানা
নি- নিউজিল্যান্ড;
মা- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ঝি- জিম্বাবুয়ে
জা- জামাইকা
মা- মার্শাল আইল্যান্ড
ই- ইকুয়েডর
H- হংকং
S- সিংগাপুর
C- কানাডা
B- বেলিজ
B- ব্রুনাই
A- এন্টিগুয়া ও বারমুডা,
অস্ট্রেলিয়া-অস্ট্রেলিয়া
গেল- গ্রানাডা।
.
ক্রোনা
টেকনিক:– "ডেনমার্কে আসুন”
ডেনমার্কে-ডেনমার্ক
আ- আইসল্যান্ড
সু-সুইডেন
ন-নরওয়ে
.
পাউন্ড
টেকনিক>>> যুক্তরাজ্যে সিসা
মিলে— পাউন্ড
যুক্তরাজ্য- যুক্তরাজ্য
সি- সিরিয়া
সা- সাইপ্রাস
মি- মিশর
লে- লেবানন
.
শিলিং
টেকনিক>>>সোমবারে কেউ তাস
খেলো? — শিলিং
সোম- সোমালিয়া
কে- কেনিয়া
উ- উগান্ডা
তাস- তাঞ্জানিয়া
.
লিরা
টেকনিক>>>তোর বেটি?? — লিরা
তোর- তুরস্ক
বেটি- ভ্যাটিকান
.
ইউরো
টেকনিক>>>ABC জাল দিয়ে সানম্যারিনো
FISH ধরে MAMA র কাছে SPAIN পাঠান
A= অস্ট্রিয়া,আয়ারল্যান্ড
B=বেলজিয়াম,ভ্যাটিক্যান
C=সাইপ্রাস
জা=জার্মানি
ল=লুক্সেমবার্গ
দিয়ে
সানম্যারিনো=সানম্যারিনো
F=France,ফিনল্যান্ড
I=Italy
S=Spain
H=Holland
ধরে
M=মোনাকো
A=এস্তোনিয়া
M=মন্টিনিগ্রো,মাল্টা
A=এন্ডোরা
কাছে=কসোভো
S=স্লোভেনিয়া,স্লোভাকিয়া
P=পর্তুগাল
A=Athence(গ্রীস)আয়ারল্যান্ড
.
রিয়েল:
টেকনিক>>>ওমা ইয়েমেন দেখছি রিয়েলি
ইরানের কাতা কম্বল নিয়ে সউদি যায়।
বি:দ্র: বন্ধনীর ভিতর রাজধানী।
ওমা- ওমান (আম্মান)
ইয়েমেন (সানা)
ইরান(তেহরান)
কাতা- কাতার(দোহা)
কম্বল -কম্ভডিয়া (নম পেন)
স উদি - স উদি আরব ( রিয়াদ)
.
রুপি:
টেকনিক>>>রুপির ভারিতে শ্রী নে পা সিচে
মরে।
ভারিতে-ভারত
শ্রী - শ্রীলংকা
নে- নেপাল
পা- পাকিস্তান
সিচে- সিচেলিস
মরে- মরিসাস
.
পাউন্ড
টেকনিক>>> সুমি Uk এর লিচেনস্টাইন
থাকে
সু= সুইজারল্যান্ড, সিরিয়া, সুদান
মি=মিশর
UK= যুক্তরাজ্য(পাউন্ড স্টার্লিং)
লিচেনস্টাইন= লিচেনস্টাইন, লেবানন
.
পেসো
টেকনিক>>>আজ কলম্বাস চিলি vs
উরুগুয়ের ফুট বল match দেখবে
আজ=আর্জেন্টিনা
কলম্বাস=কলম্বিয়া
চিলি=চিলি
উরুগুয়ের=উরুগুয়ে
ফুট=ফিলিপাইন
বল=বলিভিয়া
match-মেক্সিকো

Tuesday, September 3, 2019

অনুমতি ছাড়া ফেনী নদী থেকে ভারতের পানি উত্তোলন

>> ত্রিপুরার সাবরুম শহরের জনগণের জন্য ২০১০ সালে পানি চায় ভারত>> মানবিক দৃষ্টিকোণে পানি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়, তবে সিদ্ধান্ত জানায়নি বাংলাদেশ >> অনুমতি ছাড়াই ২০১০ সাল থেকে পাম্প দিয়ে পানি তোলা শুরু করে ভারত।
বাংলাদেশের সম্মতি

ছাড়া ফেনী নদী থেকে পানি নিয়ে যাচ্ছে ভারত। আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে সীমান্তের জিরো লাইনে পাম্প বসিয়ে নদীটি থেকে পানি উত্তোলন করছে দেশটি। পানি উত্তোলন না করতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পানিসম্পদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, ভারতের ত্রিপুরার সাবরুম শহরের জনগণের খাবার পানি সরবরাহের জন্য ভারতীয় পক্ষ ফেনী নদী থেকে পানি চেয়েছিল ২০১০ সালে। ওই বছরের জানুয়ারিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত পানিসম্পদ সচিব পর্যায়ের বৈঠকে ফেনী নদী থেকে ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি পাম্পের মাধ্যমে চায় ভারত। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ এক বৈঠকে মানবিক দৃষ্টিকোণে ভারতকে পানি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে পানিসম্পদ সচিব পর্যায়ের বৈঠক আর অনুষ্ঠিত হয়নি বিধায় সে সিদ্ধান্ত ভারতকে আর জানানো হয়নি। এ সময়ে বাংলাদেশের অনুমতি ও সম্মতি ছাড়া পাম্পের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থান থেকে ৩৫ থেকে ৪০ কিউসেক পানি নদী থেকে উত্তোলন করা শুরু করে ভারত। ফলে বাংলাদেশের অনুমতি ছাড়া পানি উত্তোলন এবং সীমান্তের শূন্য লাইনে স্থাপনা বা পাম্প বসিয়ে আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করছে দেশটি।
যৌথ নদী কমিশনের কারিগরি পর্যায়ের একাধিক বৈঠকে বাংলাদেশের ফেনী নদী থেকে পানি উত্তোলন না করতে এবং সীমান্তের শূন্য লাইনে স্থাপনা অপসারণে ভারত কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা দেশটির প্রতিনিধি দলের কাছে জানতে চাওয়া হয়। ভারতের প্রতিনিধি দল জানায় যে, এটি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ‘মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ পানি দিতে সম্মত হয়। কেউ খাবার পানি চাইবে, বাংলাদেশ সেটি দেবে না, বিষয়টি সে রকম নয়। তারা যে পরিমাণ পানি চেয়েছে তা ফেনী নদী প্রবাহের ২ থেকে ৩ শতাংশ। তবে বাংলাদেশের সম্মতিতে পানি উত্তোলন করলে বিষয়টি ভালো হতো।’
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে জাগো নিউজকে বলেন, ‘২০১০ সালে ভারতকে পানি দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ নীতিগতভাবে সম্মত হয়। তবে সে সিদ্ধান্ত ভারতকে আর জানানোর সুযোগ হয়নি। তিস্তা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে চুক্তি এড়িয়ে চলতে পানিসম্পদ সচিব বা মন্ত্রী পর্যায়ে নির্ধারিত বৈঠকে বসেনি ভারত।’
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ আট বছর পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার পানিসম্পদ সচিব পর্যায়ের বৈঠকে আবারও পানি নেয়ার অনুরোধ জানায় ভারত। তবে এতদিন যৌথ নদী কমিশনের মন্ত্রী বা সচিব পর্যায়ের কোনো বৈঠক ছাড়া বা সিদ্ধান্ত ছাড়াই বাংলাদেশের ফেনী নদী থেকে পানি উত্তোলন করছে দেশটি। তবে তারা যাতে পানি উত্তোলন না করে সেজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি নোট ভারবাল (অনুরোধপত্র) পাঠানো হয়েছে।’

দীর্ঘ আট বছর পর চলতি বছরের আগস্টে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও ভারতের পানিসম্পদ সচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ত্রিপুরার সাবরুমে খাবার পানির সংকট রয়েছে। ভারতের সাবরুম শহরের জনগণের খাবার পানি সরবরাহের জন্য ভারতীয় পক্ষের অনুরোধে মানবিক দৃষ্টিকোণে নিয়ে পানি দেয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে কতটুকু পানি দেয়া হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বাংলাদেশ ও ভারতের পানিসম্পদ সচিব পর্যায়ের বৈঠকে গঙ্গা নদীর পানিবণ্টন চুক্তির আওতায় প্রাপ্ত পানির সর্বোত্তম ব্যবহারের লক্ষ্যে যৌথভাবে সমীক্ষা এবং বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণে ভারতীয় কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা; অন্যান্য অভিন্ন নদী যেমন- মনু, মুহুরী, খোয়াই, গোমতী, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিবণ্টন চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়ন; আপারা সুরমা-কুশিয়ারা প্রকল্পের ইনটেক চ্যানেলের (রহিমপুর খাল) অবশিষ্ট অংশের খনন কাজ বাস্তবায়ন; বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ বিষয়ে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা সম্প্রসারণ; বাংলাদেশের আখাউড়ায় সিঅ্যান্ডবি খাল ও জাজি নদী দূষণ এবং আন্তঃসীমান্ত নদীর অববাহিকাভিত্তিক পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা; পশ্চিম বাংলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত আত্রাই, পুনর্ভবা ও টাংগন নদীতে শুষ্ক মৌসুমে প্রবাহ কমে যাওয়া; বাংলাদেশের চিনিকল থেকে নির্গত তরল বর্জ্য দ্বারা পশ্চিম বাংলার মাথাভাঙ্গা-চূর্ণী নদী দূষণ; ফেনী নদী থেকে ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি উত্তোলনের মাধ্যমে ত্রিপুরার সাবরুম শহরে ‘ড্রিংকিং ওয়াটার সাপ্লাই স্কি’ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য, ফেনী নদীর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে ভারত এ নদীর উৎপত্তিস্থল তাদের দেশে বলে দাবি করছে। ভারতের তরফ থেকে বলা হয়, এ নদীর উৎপত্তি ত্রিপুরা রাজ্যে। অথচ অনুসন্ধান ও সরজমিনে দেখা গেছে, এর উৎপত্তি মাটিরাঙ্গার ভগবানটিলায়। নদীর ১০৮ কিলোমিটারের কোনো অংশ ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেনি।
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি। এর মধ্যে পানিবণ্টন নিয়ে চুক্তি আছে শুধু গঙ্গা নিয়ে। সেই গঙ্গা চুক্তিতে ন্যায্যতা মানা হচ্ছে না। ১৯৯৬ সালে সম্পন্ন গঙ্গা পানিচুক্তি অনুযায়ী লাদেশকে ৩৫ হাজার কিউসেক পানি দেয়ার কথা। অথচ কোনো কোনো বছরে মাত্র দেড় হাজার কিউসেক পানি পেয়েছে বাংলাদেশ। তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি ঝুলে আছে গত পাঁচ দশক ধরে। সর্বশেষ ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার চুক্তিতে রাজি হলেও তিস্তার পথে এখন বাধা পশ্চিম বঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়৷ এ চুক্তি কবে হবে তা এখন কেউ বলতে পারছেন না। বাংলাদেশও একপ্রকার আশা ছেড়ে দিয়েছে।
৫৮টি আন্তর্জাতিক নদীর চারটি ব্যতীত সবগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ভারত হয়েই। ভৌগোলিক অবস্থার কারণে ভারতের পক্ষে বাংলাদেশকে তার পানি আগ্রাসনের অসহায় শিকারে পরিণত করাটা সহজ হয়েছে।